ভোজনরসিক বাঙালী , বাঙালীর খাওয়াদাওয়া
ভোজনরসিক বাঙালী
বাঙালীর খাওয়াদাওয়া

নমস্কার ; চলুন মিষ্টি মুখ দিয়ে শুরু করা যাক
সন্দেশ নাকি রসগোল্লা কোনটা নেবেন ?
দুপুরের খাবার তা খেয়ে যাবেন কিন্তু ; তা বলি মাছ নাকি মাংস
না না চিন্তা নাই আপনার জন্যে সব যে আছে ; চলুন শুরু করা যাক
বাঙালীর খাওয়াদাওয়া..বলতে প্রথমে ই যা বোঝায় মাছ , ভাত , ডাল, যাকে বলে কিনা মাছে ভাতে বাঙালী| তবে তা যে শুধু এটুকুতে ই সীমাবদ্ধ তা তো নয়, ভোজনরসিক বাঙালীদের খাদ্যের কথা বলতে গেলে কোথা দিয় শুরু করা যায় আর কোথায় শেষ করা যায় তা বুঝে ওঠা যায় না| তবে শুরু করা যাক দৈনন্দিন খাবার দিয়ে... দিনের শুরুতে প্রাতরাশে বাঙালী ঘরে প্রচলিত খাদ্যটি হল গরম গরম লুচি র আলুরদম, যদিও এখন এটি শুধুমাত্র ছুটির দিনের খাবার হয়ে দাড়িয়েছে, তবে অনান্য দিনে রুটি তরকারি বাঙালীর ঘরে বেশ প্রচলিত| এরপর আশা যাক মধ্যাহ্ন ভোজে, এনিয়ে আত বলার কি বা আছে!

বাঙালী মানেই ভাত, তার সাথে ডাল ,ভাজা আর মাছ তো must , যদিও ছুটির দিনে বাঙালী কবজি ডুবিয়ে কষা মাংস বা কচি পাঁঠার ঝোল আর ভাত খেয়ে থাকেন| এরপর শেষ পাতে তো চাটনি চাই চাই, গরম কাল হলে কাঁচা আমের চাটনি,আর শীত কাল হলে টমেটোর বা কুলের চাটনি, এছাড়াও বাঙালীর ঘরে প্রায় সবকিছু দিয়ে ঈ চাটনি তৈরী হয়ে থাকে| এরপর একটু মিস্টি দই হলে তো খাবার একেবারে জমে যায়| তবে এ তো শুধু গ্রীষ্ম ও শীতের কথা হল, বর্ষার দিনের কথা ত বলাই হল না,
বর্ষা কালে যখন বৃষ্টি তে কলকাতা ভেষে যায়, তখন বাঙালীর ঘর থেকে খিচুরির গন্ধ কিন্তু আপনি পাবেনই| তার সাথে ইলিশ মাছ ভাজা হলে তো আর কোনো কথা ই নেই,তনে বেগুনি বা ডিম বাজা হলেও বেশ জোমে,এছাড়াও বাঙালী শীত কালে ফুলকপি দিয়ে খিচুরি খেয়েই থাকে|
অনেক কথা বলার বাকি,তাও আর একদিন জানাবো |
ভালো লাগলে share করতে ভুলবেন না কিন্তু|
: আমরা গর্বিত কারণ আমরা কোলাকাতাবাসী :
অপেক্ষা করো, অনেক জিনিস আসছে ……………
WAIT FOR MORE ……………


Comments
Post a Comment